পোস্টগুলি

প্রবন্ধ লেবেল থাকা পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে

হারানো দিনের বন্ধুত্ব - সানজিদা হোসাইন

ছবি
আজকের আকাশটা মেঘে ঢাকা, সুন্দর। এর আগেও তো বহুবার দেখেছি, আজ কিছুটা অন্য রকম লাগছে। এই মুহূর্তে আমি এক রাস্তার পাশে বসে আছি। এর আগেও অনেকবার এখানে বসেছি, বন্ধুদের সাথে একসাথে এই পথে চলছি। এই রাস্তার সাথে আমার ১০ বছরের বেশি সম্পর্ক, তাই এই রাস্তাকে আমার বন্ধুও বলা যায়। রোজ যে স্কুলে যেতাম এই পথ ধরে! তবে আজ অনেকটা শূন্যতা অনুভব হচ্ছে। নিজেকে অনেক একা মনে হচ্ছে। মনে হচ্ছে যদি আজ আমার পাশে আরও কয়েকজন থাকত তবে বেশ ভালো লাগত। বন্ধুদের কথা বলছি। বন্ধুত্ব এক পবিত্র সম্পর্ক, যাকে মনের সব কথা বলা যায়,বিশ্বাস করা যায়। যার সাথে রক্তের সম্পর্ক নেই তবুও আপন করে নেওয়া যায়৷ যে কথা অন্য কাউকে বলা যায়না তা,বন্ধুকে বলা যায়।  একসময় ছিল যখন রোজ দিনে ৮ থেকে ১০ ঘন্টা ওদের সাথে কাটাতাম, হৈ চৈ করতাম, গল্প করতাম আর এখন ৮ থেকে ১০ দিনে হয়ত একবার ওদের সাথে ফোনে কথা হয়, খুব বেশি হলে দু চার মিনিটের জন্য। আজ শেষ থেকেই শুরু। হঠাৎ-ই একদিন স্কুলে গেলাম, আর আমার জীবনের সবকিছু বদলাতে শুরু করল। স্কুলে যেতে ভয় পেতাম,আম্মু আমায় অনেক বোঝানোর পরও বলতাম, আজ সারাদিন বাসায় পড়ব তবুও স্কুলে পাঠিয়ো না। চিনতাম না, জানতাম না তাদে...

বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ান – আব্দুর রহমান আল হাসান

ছবি
বাংলাদেশের বয়স মাত্র ৫০ বছর। কিন্তু এই বছরগুলোয় অর্জন এত বেশি নয়। বরং অনেক কম। প্রতিটি বছর আমাদের দেশে বাজেট পাশ হয়। পাশাপাশি বিভিন্ন জিনিষ আরো উন্নত করা হয়। ব্রিজ, রাস্তাঘাট, লঞ্চ টার্মিনাল, রেল স্টেশনগুলোতে প্রতি বছরই সংস্করণ করা হয়। এর ফলে কখনো কখনো এটা জনগণের জন্য সুবিধা বয়ে আনলেও পরিবেশকে এর জন্য মারাত্মক অসুবিধার সম্মুখিন হতে হয়। গত মাসের শেষের থেকেই বাংলাদেশের সিলেট ও এর আশেপাশের অঞ্চলে বাঁধ ভেঙ্গে পানি প্রবেশ করছে। এর ফলে সরকারি হিসাবমতে, প্রায় ১০ লাখ পরিবার গৃহহীন হয়ে পড়েছে। এদের সমষ্টি প্রায় ৩০ লাখ মানুষ। এই বন্যায় মৃতের সংখ্যাও কম নয়। যারা সাঁতার পারে না, তাদের জন্য তো দুঃসংবাদ বটে। যারা সাঁতার পারে, তারাও কতক্ষণ এই পানিতে সাঁতরাবে? গত কয়েকদিন যাবৎ সিলেট ও সুনামগঞ্জে পানি আগে থেকে আরো বেড়ে গেছে। এর ফলে বহু ঘর-বাড়ি অর্ধেক পানির নিচে। কিংবা পুরোটাই পানির নিচে চলে গিয়েছে। ফলে ক্ষতিগ্রস্থ মানুষের সংখ্যা অনেক বেশি, এটা নির্বিঘ্নেই বলা যায়। একটা সমীক্ষা দেখি। সিলেট ও সুনামগঞ্জে মোট জনসংখ্যা ( সিলেট: ৩৪ , ০৪ , ০০ জন ; সুনামগঞ্জ : ২৪ , ৪৩ , ০০০জন) প্রায় ২৭৮৩,৪০০ জন। এদের মধ্যে অ...

নীড়ে ফেরা - আহসানা ইসলাম তাজিয়া

ছবি
  ছোটবেলা থেকেই বেশ রাগী ছিলাম আমি। অন্যদের থেকে একটু বেশি ঝগড়াটেও ছিলাম আমি। যে কোনো সময় দুষ্টমি , হাসি-ঠাট্টা , খেলাধূলা ছিল আমার নিত্যদিনকার কাজ। ক্লাসে ভালো ছাত্রীও ছিলাম আমি। ক্লাস থ্রিতে থাকা অবস্থাতেই আমি যথেষ্ঠ দ্বীনি শিক্ষা পেয়েছিলাম পরিবারের নিকট হতে। বাবা-মা ধার্মিক হওয়ায় কখনো কোনো মারাত্বক অপরাধে জড়াই নি তখন। বাবা হাত ধরে ধরে ইসলামের নানান বিষয় শিক্ষা দিতেন। আমার বাবা-মা উভয়ই কুরআনে হাফেজ। ছোটবেলা থেকেই বাবা নামক বটবৃক্ষে নিজেকে সঁপে দেয়ার মধ্যে বেশ আনন্দ অনুভব করতাম আমি। বাবা কর্ম ব্যস্ততার কারণে প্রায় সময়ই গ্রামের বাহিরে বা জেলার বাহিরে থাকতেন। কাছে পেয়েছিলাম খুব কম। কিন্তু মা-ভাইয়া এবং আপু বাবার অনুপস্থিতিটা বুঝতে দেয় নি। বাবাকে খুব মনে মনে পড়তো। আমি রাগলে তিনি আমার রাগ ভাঙ্গাতেন। হাজারো-বায়না ধরতাম তার নিকট। এভাবেই আমার জীবনের চাকা ঘুরতে থাকে। অন্য দশটি মেয়ের মতো আমিও স্কুলে যেতাম। আমার নাম তাজিয়া। কিন্তু ক্লাসের অন্যরা আমাকে ব্যঙ্গ করে “তাজিয়া মিছিল” বলে ডাকতো। কারো নাম বিকৃতি করে ডাকাটা অনেক বড় অন্যায়। আল্লাহ সূরা হুজরাতের ১১ নং আয়াতে বলেন , “ হে ঈমানদারগণ! ...

হুজুরের অবদান - শাহাদাত হোসাইন

ছবি
হুজুর শব্দটি শোনা মাত্রই আমাদের মনের মধ্যে অনেক কৌতুহল জেগে উঠে। এমনিভাবে এই নামটি বর্তমান সময়ে আমাদের নিকট খুবই   ঘৃণা আর অপমানের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সমাজে একটি প্রবাদ বাক্য প্রচলন আছে , “ পানির অপর নাম জীবন”। ঠিক তেমনিভাবে বর্তমান সময়ে হুজুর শব্দের অপর নাম যেন ঘৃণা , অপমান , ঠাট্টা ইত্যাদি। শুধু তাই নয় , হুজুর কিংবা মৌলভী সম্প্রদায় আজ সকলের চোখে   কাঁটা এবং বোঝা। অবহেলা ও তুচ্ছ-তাচ্ছিল্যের বস্তুর রূপ ধারণ করেছে। অথচ এই সমাজে মৌলভী সম্প্রদায়ের বহু অবদান রয়েছে। তাঁদের অনুদান আর অবদানের মধ্যে আমরা সর্বক্ষণ ডুবে আছি। যা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমরা একটিবারও তা চিন্তা করি না । তার মধ্যে থেকে সবচেয়ে বড় তিনটি অবদান যা , এখানে বর্ণনা না করলেই নয়। প্রথমত: হুজুর তথা উলামায়ে কেরামের অবদানে পৃথিবীর মানচিত্রে এখনও পর্যন্ত ঈমান-ইসলাম এবং মুসলমান বাকি আছে। তথা দৈনিক পাঁচবার মসজিদের মিনার থেকে মুয়াজ্জিনের কণ্ঠে আযানের ধ্বনি শুনতে পাওয়া যায়। ইমামের পিছনে নামায আদায় করতে পারা যায়। রাতের শেষ ভাগে ছোট্ট ছোট্ট বাচ্চাদের সু-মধুর কুরআন তেলাওয়াতের আওয়াজ এবং বুযূর্গানে ...

ঘোষণা - আব্দুর রহমান আল হাসান

ছবি
আমি গত শুক্রবারেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে বসে আড্ডাবাজি করেছি। কিন্তু আজ থমথমে পরিবেশ। পশ্চিম পাকিস্তানে যুদ্ধ শুরু হয়ে গেছে। একেবারে হঠাৎ করেই ঘটেছে সব। ৭ ই মার্চে যখন বঙ্গবন্ধু শেখ মজিবুর রহমান রেসকোর্স ময়দানে ভাষণ দিলেন , আমাদের মধ্যে তখন শিহরণ বয়ে গিয়েছিল। আমরা চারজন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ভাষণ শুনতে গিয়েছিলাম। ও আমার বন্ধুদের সাথে তো আপনাদের পরিচয় করিয়ে দেই নি। আমি সাকিব। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অর্থনীতি বিভাগে পড়ি। আমার বন্ধু শাহাদাত পড়ে আইন বিভাগে। মিকদাম পড়ে ইংলিশ মিডিয়ামে আর আবির পড়ে অনার্সে। একসাথেই আমরা চলাফেরা করি। ৭ ই মার্চের রবিরারের কথা আমার এখনো মনে আছে। আমরা ফজরের পর পর গিয়েছিলাম মাঠে। তারপরও সামনে জায়গা পাই নি। সেদিন সকালে নাস্তাও করি নি। আশ্চর্যের বিষয় হলো , সেদিন ক্ষুধাও লাগে নি। আমরা চারজন সকাল নয়টা পর্যন্ত একসাথেই ছিলাম। কিন্তু মিকদাম হঠাৎ করেই দলচ্যুত হয়ে গে ল। গেল তো গেল। একেবারে লাপাত্তা। বঙ্গবন্ধুর ভাষণ শুনে আমরা যখন ফিরে আসি , তখন দেখতে পাই মিকদাম শহীদ মিনারের সামনে বসে আছে। পাশে গিয়ে বসলাম আমি। আমাদের দেখেই বললো , আজকের দিনটা আমার মাটি মাটি ...

মহিয়সী মা - আল আমিন রায়হান

ছবি
  মা , পৃথিবীর অন্যতম এক সত্ত্বা। হাজার দুঃখ কষ্ট সন্তানের ইচ্ছেপূরণের ক্ষেত্রে মাকে বাধা দিতে সক্ষম নয়। যার ভালোবাসা শত ঝড়েও সামান্যতম ত্রুটি হয় না নিজ সন্তানকে গড়ে তোলার জন্য। যিনি নিজের জীবন বিলিয়ে দিতেও পরোয়া করেন না সন্তানের জন্য। পৃথিবীর সকল প্রাণ , স্বার্থ নামক তরীর কাছে হার শিকার করতে বাধ্য হয়। স্বার্থ ব্যর্থ মানে সম্পর্ক ব্যর্থ। কিন্তু সৃষ্টিকর্তার পর মা হলো সন্তানের সবচেয়ে বড় সঙ্গী। তিনি হাজারো বিপদ-আপদে সন্তানকে সঙ্গ দেন। ইচ্ছেপূরণে ক্ষেত্রে তিনি সন্তানের বন্ধুর পরিচয় দেন। পৃথিবীর সকল মায়েরা কেমন তা আমার ধারণার বাহিরে। কিন্তু আল্লাহ তাআলা আমাকে একজন মহিয়সী মা উপহার দিয়েছেন। যিনি আমার পৃথিবীর একমাত্র স্বপ্ন। যাকে ঘিরে আমার প্রাণ। যিনি ভালোবাসা এবং স্নেহ-মমতা দিয়ে আমাকে লালন-পালন করেছেন। পৃথিবীর সকল মায়েরাই সৃষ্টিকর্তার পক্ষ হতে শ্রেষ্ঠ উপহার। আর আমার মা আমার জন্য তেমনই শ্রেষ্ঠ নেয়ামত। ব্যর্থতার এই পৃথিবীতে তিনি আমাকে কখনো একা ছাড়েন নি। আমাকে তিনি সঙ্গ দিতে ভুলেন নি। আমি বাবা হারিয়েছি তের বছরের উর্ধ্বে। কিন্তু কখনো নিজেকে একা ভাবার সুযোগ হয় নি। বাবা হারানোর বিরহ-বেদনা ...

সাগর এবং মানুষ - মোহাম্মদ সায়েম

ছবি
সাগরে এক শিশুর জুতা হারিয়ে গেল। সাগরের তীরে শিশুটি লিখলঃ '' এই সাগর চোর" । তার নিকটেই এক ব্যক্তি মাছ শিকার করছিলেন। সেদিন তিনি অনেক মাছ শিকার করতে পেরেছিলেন। তিনি সাগর তীরে লিখলেনঃ "এই সাগরটি দানশীল" । একদিন এক যুবক সাগরে মৃত্যুবরণ করল। সন্তানহারা মা সাগরের তীরে লিখলেনঃ "এই সাগর হত্যাকারী " । এরপর জোয়ার আসে। সাগরের ঢেউ এসে তার তীরের সকল লেখা মুছে দেয়। আপনি যতই চেষ্টা করেন , কিছু মানুষকে আপনি কখনোই সন্তুষ্ট করতে পারবেন না। আপনি যদি তাদের   জন্য হাতের দশটি আঙুলকে মোম বানান , তাহলে তারা আপনাকে বলবে , আলো এমন নিভু নিভু কেন ?? যদি আপনি তাদের জন্য পাহাড়ে সুঁই দিয়ে সুড়ঙ্গ খনন করেন , তাহলে তারা বলবে এত দেরি করলে কেন ?? যদি আপনার চোখের পাপড়ি দিয়ে তাদের রাস্তা ঝাড়ু দিয়ে দেন , তাহলে তারা বলবে , তুমি এটা আরো ভালোভাবে করতে পারতে!! ভাই! মানুষ এমনই , এমনই ছিল , ভবিষ্যতে এমনই থাকবে। তাই সবাইকে সন্তুষ্ট করতে গিয়ে নিজেকে ক্লান্ত বানাবেন না। সকলকে সন্তুষ্ট করাটাকে নিজের লক্ষ্য বানাবেন না। আপনি এই লক্ষ্য পর্যন্ত কখনো পৌঁছাতে পারবনে না। জীবনের এই ক্ষেত্...

অহংকার - মাসউদুর রহমান

ছবি
জীবন ধ্বংসকারী একটি মারাত্মক স্বভাব হলো অহংকার। এই স্বভাবের লোকেরা তাদের উন্নতি ও সফলতা বেশিদিন ধরে রাখতে পারে না। আত্মীয়-স্বজন ও কাছের মানুষদের ভালোবাসা হারিয়ে ফেলে। তাদের দ্বারা প্রতিষ্ঠান , সমাজ , সংগঠন , রাষ্ট্র এমনকি নিজ পরিবারও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। রাসুল (সা.) তিনটি ধ্বংসকারী বস্তু থেকে মানুষকে সাবধান করেছেন। সেগুলো হলো , প্রবৃত্তির পূজারি হওয়া , লোভের দাস হওয়া এবং অহংকারী হওয়া। তিনি বলেন , এটিই হলো সবচেয়ে মারাত্মক। (মিশকাত , হাদিস : ৫১২২) এখানে অহংকারের কিছু নিদর্শন বর্ণনা করা হলো — শ্রেষ্ঠত্বের দাবি করাঃ _ সবার কাছে নিজেকে শ্রেষ্ঠ করে ফুটিয়ে তোলার চেষ্টা করা , অন্যকে তুচ্ছ ভাবা ধ্বংসের কারণ। ইবলিস সর্বপ্রথম নিজেকে বড় মনে করেছিল। যার কারণে মহান আল্লাহ তাকে অভিশাপ দিয়েছেন। আদম (আ.)-কে সিজদা দেওয়ার নির্দেশের বিরোধিতায় সে আল্লাহকে যুক্তি দেখিয়েছিল , ‘ আপনি আমাকে আগুন থেকে সৃষ্টি করেছেন এবং আদমকে সৃষ্টি করেছেন মাটি থেকে। ’ ( সুরা : আরাফ , আয়াত : ১২) । অতএব , ‘ আমি কি তাকে সিজদা করব , যাকে আপনি মাটি দিয়ে সৃষ্টি করেছেন ?’ ( সুরা : ইসরা , আয়াত : ৬১) এই অহংকারের শাস্তিস্বরূপ...

বৃত্তের বাইরে - মো: ওয়ালিউল হাসান

ছবি
প্রকৃতিতে এমন একটা সময় আসে , যখন গাছে গাছে নতুন কলি গজায় , ধীরে ধীরে সেগুলোর বয়স বাড়তে থাকে।এরপর এমন একটা সময়ও আসে , যখন পাতার সবুজ আভা চলে যায়।সেখানে ভর করে জীর্ণতা-বিবর্ণতা।পাতা হারায় তার রুপ-সজীবতা।ঝরতে থাকে পাতা।একসময় গাছ এতটাই পাতাশূন্য হয়ে পড়ে , দেখতে ন্যাড়া মাথা যুবতির মত লাগে।গাছের এই রূপ ভাবুক পথিকের মনে জন্ম দেয় গভীর বিষাদের।কিন্তু গাছের এই বিবর্ণতা এই হাহাকার বেশিদিন থাকেনা।একসময় গাছে গাছে আবার কুঁড়ি আসে , নতুন পাতা গজায়।প্রকৃতি সাজে নবরূপে , এতটাই নিখুঁতভাবে , দেখলে মনেই হবেনা , এটা একসময় পাতাশূন্য ছিল।মানুষের জীবনটাও ঠিক এমনই।মানুষের জীবনেও এমন জীর্ণতা-বিবর্ণতা , এমন হাহাকার আর খাঁ-খাঁ শূন্যতা আসে।সে শূন্যতায় হাল না ছেড়ে , শূন্যতাকে পূর্ণতায় বদলে দেয়ার চেষ্টা করাই একজন সত্যিকার বুদ্ধিমান ব্যক্তির কর্তব্য।হয়তো সে অসীম শূন্যতা পুরোপুরি পূর্ণ হবেনা।কিন্তু , কিছুটা তো হবেই...! তাতেই বা মন্দ কি.. ? । প্রচণ্ড পিপাসার্ত ব্যক্তি তো শুভ্র বরফ-শীতল পানি কামনা করেনা , সে চায় পান করার উপযুক্ত একটুখানি জল।তা পেলে সে ভাবে এ তো স্বর্গীয় শরাব।মাঝ সাগরে ডুবন্ত ব্যক্তি তো বিলাসবহুল কোন ...