মা - মীম আক্তার সামিয়া
এলাকায় একজন মহিলা ছিলেন খু্বই সৎ। তার একটি কুড়ে ঘর ছিল । তাতে তিনি আর তার মেয়ে থাকতেন। মেয়ের বয়স যখন সাত বা আট , তখন তার বাবা মারা যায়। তারপর থেকে মা-ই তার সবকিছু । মেয়ের যেভাবে থাকলে ভালো হবে , সেভাবেই তিনি রাখতেন । মেয়েটির নাম তামান্না। তার মা গাছ থেকে ফলমূল সংগ্রহ করতেন । বন থেকে কাঠ কেঁটে বাজারে বিক্রি করতেন । এর উপার্জিত অর্থ দ্বারা তাদের জীবন চলতো । তামান্না যখন একটু বড় হলো , তখন তার মা কাছের একটি স্কুলে ভর্তি করিয়ে দেন । সেখানে সে পড়ালেখা করতো । এভাবেই তাদের দিন কাটতে লাগলো। যখন তামান্নার বয়স ১৫ বছর তখন একদিন তার মা খুব অসুস্থ হয়ে পড়েন। ডাক্তার দেখে বললেন , ভালোভাবে তোমার মায়ের সেবা-যত্ন করো । তার বাঁচার সম্ভাবনা খুব-ই ক্ষীণ। সেদিন এ কথা শুনে তামান্না কাঁদতে কাঁদতে অজ্ঞানই হয়ে গেল। তিনদিন নাগাত অজ্ঞান ছিল। তারা গরীব হওয়ায় এতোদিনে কেউ তাদের খোঁজ খবর নিতেও আসনি । তারপর তামান্না খানিকটা স্বাভাবিক হলে জান-প্রাণ দিয়ে তার মায়ের খেদমত করতে লাগলো। তারপরও বেশিদিন তিনি বাঁচলেন না । মৃত্যু তাকে আলিঙ্গন করলো। সেদিন থেকে মেয়েটি একা হয়ে পড়ল । জীবনযুদ্ধে তার কোনো সঙ্গী নেই । অথৈ পৃথিব...
মন্তব্যসমূহ
একটি মন্তব্য পোস্ট করুন